নিজস্ব প্রতিবেদক, হরিপুর (ঠাকুরগাঁও): ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা জোরপূর্বক বন্ধ করা এবং বাধা দিতে গেলে এক গৃহবধূকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে হরিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন— একই এলাকার মৃত ওয়ায়েদ আলীর ছেলে মোঃ মোতালেব (৫৫), মোতালেবের ছেলে মোঃ মুকুল (৩০) ও মোঃ স্বাধীন (২৫), এবং মোতালেবের স্ত্রী মোছাঃ কহিনুর (৫০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্বে ১নং বিবাদীর সাথে বাদীর একটি মামলার আপোষ সূত্রে ১ শতাংশ জমি বাড়ির প্রবেশের রাস্তা হিসেবে রেজিস্ট্রি দলিল মূলে নির্ধারিত হয় (দলিল নং- ২৫৫, তারিখ: ১৩/০১/২০২০ইং)। আপোষনামায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, ভবিষ্যতে বিবাদীরা বাদীর যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করতে পারবে না। কিন্তু সম্প্রতি বিবাদীরা ওই রাস্তার জমি জবরদখল ও যাতায়াত চিরতরে বন্ধ করার পায়তারা শুরু করেন।
গত ০২/১১/২০২৬ তারিখ সোমবার সকাল অনুমান ১০:৩০ ঘটিকায় অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা ও কোদাল নিয়ে বাদীর বাড়ির সামনের রাস্তার মাটি খনন করেন এবং নেট জাল দিয়ে রাস্তার মুখ ঘিরে বন্ধ করে দেন। বাদী এর কারণ জানতে চাইলে বিবাদীরা তাঁর চুলের মুঠি ধরে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। এ সময় ৪নং বিবাদিনী কহিনুর ইট ছুড়ে মারলে বাদীর মাথার বাম পাশে আঘাত লেগে ফোলা জখম হয়। এছাড়া ২ ও ৩নং বিবাদী বাদীর বাড়িতে ঢুকে পরনের কাপড় টেনে ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি ঘটান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে বাদীর ডাক-চিৎকারে সাক্ষীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে বিবাদীদের হুমকির মুখে পরিবারটি অবরুদ্ধ ও মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এবিষয়ে জানতে মোতালেব এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের দুই পক্ষ ভর্তি আছে।আমার স্ত্রী কোহিনুর আহত হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পুলিশ আসছিলো মারামারির কোনো সত্যতা পাইনি।আমরা দুই পক্ষেই থানায় অভিযোগ করছি।ওই টা মিটে গেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকাল ৫ টা ১১ মিনিটে এ বিষয়ে হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জের এর মুঠোফোন কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।