বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাপুর স্বদেশ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে গোলাপ হোসেনের মৃত্যু হয়।
শিশুর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে সিরাজদীখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের মোল্লা ব্রিকসের কাছে বাবা গোলাপ হোসেন ও মেয়ে তওবার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় গোলাপ হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। একই ঘটনায় শিশু তওবাকে হত্যা করে ইটভাটার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ওই পরিত্যক্ত জমি থেকে শিশু তওবার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাপ হোসেনের বাড়ি রামকৃষ্ণদী গ্রামে হলেও তিনি পরিবার নিয়ে বালুচর ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে রামকৃষ্ণদী এলাকায় একটি ইটভাটায় কর্মরত তাঁর বাবা জয়নাল মিয়ার সঙ্গে দেখা করে মেয়েকে নিয়ে ফেরার পথে তাঁরা হামলার শিকার হন।
শিশু তওবার নানি তাসলিমা জানান, প্রতিবেশীর সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।
পুলিশের অভিযান অব্যাহত
সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।