
অভিযোগকারী শাওন আমিন জানান, ২০২৩ সালের রমজান মাসে অনলাইনে সেমাই অর্ডারের মাধ্যমে শাহীনুর ইসলামের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ব্যবসার প্রয়োজনের কথা বলে শাহীনুর, শাওন আমিনের ঢাকায় কর্মরত ছেলে ঝড় আমিনের কাছ থেকে ২০২৫ সালে চার দফায় ব্যাংকের মাধ্যমে মোট ৫ লাখ টাকা ধার নেন বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ১ লাখ টাকা, ৪ মে ২০২৫ তারিখে আরও ১ লাখ টাকা, ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে ২ লাখ টাকা এবং ১১ জুলাই ২০২৫ তারিখে ১ লাখ টাকা একই NPSB রেফারেন্সের মাধ্যমে শাহীনুর ইসলামের হিসাবে পাঠানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।
শাওন আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে সময় বাড়িয়ে ২০ জুনের মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সময় পার হয়ে গেলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অভিযোগকারী আরও বলেন, টাকা ফেরতের বিষয়ে যোগাযোগ করতে গেলে শাহীনুর ইসলাম ফোন কেটে দেন এবং পরবর্তীতে তাকে ও তার ছেলে ঝড় আমিনকে ফেসবুকে ব্লক করে দেন। এছাড়া তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত মো. শাহীনুর ইসলামের ব্যবহৃত ০১৭১০৫৮৪২৭৬ মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও ফোনটি বন্ধ থাকার কারণে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।